ট্রপোস্ফিয়ার কাকে বলে? একে ক্ষুব্ধমন্ডল বলে কেন

ট্রপোস্ফিয়ার কাকে বলে?
ট্রপোস্ফিয়ার কাকে বলে? ট্রপোস্ফিয়ারকে ক্ষুব্ধমন্ডল বলে কেন? এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যা নিয়ে আজ আমরা আলোচনা করবো। মাধ্যমিক ছাত্রছাত্রীরা এই প্রশ্নটি অধ্যায়ন করলে পরীক্ষায় খুব সহজেই ভালো নম্বর অর্যন করতে পারবে। ট্রপোস্ফিয়ার কাকে বলে এই প্রশ্নটির উত্তর নিয়ে নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

ট্রপোস্ফিয়ার কাকে বলে

ভূপৃষ্ঠ থেকে বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে কাছের বা সর্বনিম্ন স্তর হল ট্রপোস্ফিয়ার। ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে মেরু অঞ্চলে প্রায় ৮ কিমি ও নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় ১৮ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে ট্রপোস্ফিয়ার (Troposphere) বলে । 
ট্রপোস্ফিয়ার (Troposphere) শব্দটি গ্রীক শব্দ “Tropos” এর অর্থ ‘পরিবর্তন’ ও “Sphere” এর অর্থ ‘মন্ডল’ থেকে এসেছে।

ট্রপোস্ফিয়ারকে ক্ষুব্ধমন্ডল বলার কারণ

বায়ুমণ্ডলের এই স্তরেই আমরা বসাবস করি । এই স্তরে প্রাণীজগতের বেঁচে থাকার জন্যে প্রয়োজনীয় উপাদান রয়েছে। বায়ুমণ্ডলের প্রায় বেশিরভাগই বায়ু প্রায় ৭৫% বায়ু এই অংশে অবস্থান করে এবং প্রায় ৯০ শতাংশ ধূলিকণা, জলীয় বাষ্প, কুয়াশা, মেঘ প্রভৃতি এই স্তরে থাকে ফলে ঝড়, বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি, বজ্রপাত, তুষারপাত প্রভৃতি প্রাকৃতিক ঘটনাগুলি এখানে ঘটে, এজন্য এই স্তরকে ক্ষুব্ধমন্ডল বলা হয়ে থাকে।

ট্রপোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য

  • ট্রপোস্ফিয়ারে প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতায় ৬.৫° সেলসিয়াস হারে তাপমাত্রা হ্রাস পায়।
  • এই বায়ুস্তরে ৭৫% বায়ু অবস্থান করে।
  • ট্রপােস্ফিয়ারের উর্দ্ধসীমায় বায়ুর উষ্ণতা কমে প্রায় -৫৬° সেলসিয়াস হয়।
  • এই স্তরেই প্রধানত মেঘের সৃষ্টি হয় ও বায়ুপ্রবাহ দেখা যায় ।
  • ট্রপােস্ফিয়ারেই ঝড়, বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি, ঘূর্ণবাত , বিদ্যুৎ, বজ্রপাত, টর্নেডাে ইত্যাদি প্রভৃতি ঘটনা ঘটে ।

ট্রপোস্ফিয়ার কাকে বলে? ট্রপোস্ফিয়ারকে ক্ষুব্ধমন্ডল বলা হয় কেন? এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোল এর খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন। তাই অবশ্যই বন্ধুদের সাথে সেয়ার করুন যাতে তারাও এই প্রশ্নের উত্তর জানতে পারে এবং আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

মরু অঞ্চলে বায়ুর কাজের প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায় কেন ?

ঝুলন্ত উপত্যকায় জলপ্রপাত দেখা যায় কেন?

আধুনিক ইতিহাসের উপাদান হিসেবে আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথার গুরুত্ব কোথায়